২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,গ্রীষ্মকাল

প্রচ্ছদ > বাণিজ্যিকভাবে শার্শায় চাষ হচ্ছে স্ট্রবেরি

বাণিজ্যিকভাবে শার্শায় চাষ হচ্ছে স্ট্রবেরি

কৃষি উদ্যোক্তা রজিন আহম্মেদ রঞ্জু স্ট্রবেরি ফল বাণিজ্যিকভাবে পতিত জমিতে চাষ করে সফলতা পেয়েছেন । অপ্রচলিত ও উচ্চমূল্যের ফল হওয়ায় লাভজনক চাষে পরিণত হয়েছে। স্ট্রবেরি

দার্জিলিং পীরগঞ্জে কমলার বাম্পার ফলন

পীরগঞ্জ উপজেলার মালঞ্চা গ্রামের “অরেঞ্জ ভ্যালি’র” দার্জিলিং জাতের কমলা গাছের ডালে ডালে এবারও থোকায় থোকায় ঝুলছে বড় বড় কমলা। কমলার ভারে হেলে পড়েছে গাছের ডালপালা। আনুষ্ঠানিক

বারমাসী সিডলেস লেবু চাষে সামউলের সফলতা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার কদমপুর গ্রামের সফল কৃষক মোঃ সামউল ইসলাম এলাকায় অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই চাষির দেখাদেখি মুকসুদপুর ও আশপাশের উপজেলা গুলোতে অন্তত ১০টি

বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষে ছরোয়ারের সাফল্য

রাজবাড়ীর ছরোয়ার হোসেন বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষ করে সফল হয়েছে । চাকরির পাশাপাশি তিনি এই কমলার বাগান করেন। বর্তমানে তার বাগানে চায়না ও নাগপুরীসহ ৪ জাতের

চায়না কমলা চাষে সফল হয়েছেন চাষি ইউসুফ আলী

চায়না কমলা চাষে সফল হয়েছেন যশোরের শার্শা উপজেলার চাষি ইউসুফ আলী। বাজারে দুই ধরনের কমলার বেশ চাহিদা রয়েছে। একটি হলো দেশি সবুজ কমলা আরেকটি চায়না

লাউ চাষে সফল চাষি শামসুল হক

টেংরা গ্রামের চাষি শামসুল হক লাউ চাষে সফল হয়েছেন। তিনি বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষ করেই জীবিকা নির্বাহ করেন। এবছরও লাউ চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।

পেঁপে চাষে বছরে ১০ লাখ টাকা আয়ের আশা

পেঁপে বাগান করে সফলতা পেয়েছেন বদরুল আলম বুলু ও নাজিমুদ্দিন। লালমাটির ঘন জঙ্গল কেটে সাফ করে সেখানে পেঁপে চাষ করে তারা সফল হয়েছেন। তাদের সারিবদ্ধভাবে

৮০ লাখ টাকার ফুলকপি বিক্রির আশা ৩৫ বিঘা জমিতে চাষ করে

ভাগ্য বদলেছে  কৃষক মজিবুর রহমানের ফুলকপি চাষে। প্রথমে অন্য কোনো সবজি নয়, শুধু ফুলকপি চাষ করে ঘুরান ভাগ্যের চাকা। বিদেশে থেকে ফেরত এসে কৃষি কাজে

কৃষক সাত্তার মিয়া খুশি আগাম বাঙ্গির ব্যাপক ফলনে

কৃষক মোঃ সাত্তার মিয়া বাঙ্গি চাষে সফল হয়েছেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ঐচারচর গ্রামের । ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আক্রমণে পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল তার জমি। এখন জমির উৎপাদিত

লিটন আলী স্বচ্ছল, আয় লাখ টাকা কৃষিকাজে

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চরনুরনগর এলাকার কৃষক লিটন আলী শেখ কৃষিকাজ করে ভাগ্য বদলেছেন। একসময় সংসারের খরচ, দু’বেলা খাবার জোটানোই কষ্টকর ছিল। সন্তানদের পড়াশোনা করানোর কথা