আলুর কেজি ৮ টাকা হতাশ বগুড়ায় চাষিরা

গত বছরে আলুর দাম বেশি থাকায় এবারের মসুমে একটু বেশি লাভের আশায় আলু চাষ করেছিল বগুড়ার চাষিরা। আলু তোলার প্রথম দিকে কিছুটা দাম পেলেও বর্তমানে আলুর তেমন দাম পাচ্ছেন না চাষিরা। ফলে হতাশ হয়ে পড়ছেন এই অঞ্চলের প্রান্তিক চাষিরা।

বর্তমানে প্রতিকেজি লাল পাকড়ি পাইকারি হিসেবে ১০-১২ টাকা, সাদা ধরনের গ্যানোলা জাতের আলু প্রতিকেজি ৮-১০ টাকা ও কার্ডিনাল জাতের আলু ৮-১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে দিন যাচ্ছে আর আলুর দাম কমছে যোগ করেন এসব আলু চাষিরা। এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। চাহিদার অতিরিক্ত আলু প্রতিদিন বাজারে আসছে। মহাজনরা তারই সুযোগ নিয়ে কম দামে আলু কিনছেন বলেও মন্তব্য করেন তারা।

চাষি তোফায়েল হোসেন জানান, তিনি প্রায় সাত বিঘা জমিতে লাল পাকড়ি জাতের আলু লাগিয়েছিলেন। সেই আলু উঠানোর কাজও প্রায় শেষ। কিন্তু বাজারে আলুর দাম কই। প্রথমদিকে একটু ভালো দাম পেলেও এখন আলুর দাম একেবারেই পড়ে গেছে।

বগুড়ায় উৎপাদিত এসব আলু রাজধানী ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম অঞ্চলে বেশি যায়। এছাড়াও দূর-দূরান্তের বিভিন্ন বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা শহর থেকে বেপারী এসে এই মোকাম থেকে আলুসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি কিনে থাকেন।

বগুড়া জেলায় উপশী ও স্থানীয় মিলে ৫৭ হাজার ৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো। এর মধ্যে উপশী ৪৫ হাজার ৭৮৫ ও স্থানীয় ১১ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়। যার মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো (উপশী-১০ লাখ ৯১ হাজার ৯০৭ মে. টন ও স্থানীয়-১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩৩ মে. টন) ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...