হতাশ কুষ্টিয়ার চাষিরা স্কোয়াশের কেজি ৫ টাকা

চলতি বছর আবহাওয়া ভালো হওয়ায় দেশে প্রচলিত প্রায় সব ধরনের শীতকালীন সবজির পাশাপাশি উৎপাদন বেড়েছে স্কোয়াশের।কিন্তু স্থানীয় বাজারে এ সবজির চাহিদা কম থাকা এবং কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি ক্রেতাদের যোগাযোগ না থাকায় কেজি প্রতি মাত্র ৫ টাকা দরে বিক্রি করায় লোকসানে পড়ছেন কুষ্টিয়ার চাষিরা।

করোনাকালে কলেজ বন্ধ থাকায় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর এলাকার কৃষক হাসানুল হক বাড়িতে অবসর সময় না কাটিয়ে ৫০ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন এ নতুন সবজি। অল্প সময়ে আশানুরূপ ফল পেয়েছেন তিনি। তবে এ বছর সবজির দাম এবং বাজারজাত করণের অসুবিধার কারণে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে তার।

বর্তমানে তার ক্ষেতে মোট দুই হাজার ৫০০ থেকে ৭০০ টাকার মতো গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছেই প্রচুর ফুল এবং ফল ধরেছে। প্রত্যেকটি গাছে চার-পাঁচটা করে স্কোয়াশ রয়েছে। দাম যদি ১৫-২০ টাকা কেজিও পেতাম, তাহলে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার ওপরে স্কোয়াশ বিক্রি করতে পারতাম বলে জানিয়েছেন কৃষক। তবে, বর্তমানে দাম নেই বললেই চলে। দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের স্কোয়াশ পিস হিসেবে পাইকারি চার-পাচ টাকা করে। এমন দাম হলে সবজি চাষাবাদ কমে যাবে।

এ প্রসঙ্গে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জানান, স্কোয়াশ একটি বিদেশি সবজি। তবে আমাদের অঞ্চলের আবহাওয়া স্কোয়াশ চাষের জন্য উপযোগী। আমরা এ নতুন সবজি চাষ সম্প্রসারণের চেষ্টা করছি।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...