১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,গ্রীষ্মকাল

প্রচ্ছদ > কাঁঠালের বিপুল পরিমাণ ফলন হয়েছে মেহেরপুরে ।

কাঁঠালের বিপুল পরিমাণ ফলন হয়েছে মেহেরপুরে ।

মেহেরপুর জেলায় চলতি মৌসুমে জাতীয় ফল কাঁঠালের বিপুল পরিমাণ ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে বাজারে পাকা কাঁঠাল উঠতে শুরু করেছে বাজারগুলোতে । ফলন ভালো হওয়ায় খুশি বাগান মালিকরা। তারা বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় রয়েছেন। বাজারে কাঁঠালের চাহিদা যেমন বেড়েছে, দামও রয়েছে মানুষের সাধ্যের মধ্যে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় ৮১৫ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন।

গাছ কাঁঠালে ভরপুর ফলন হয়েছে। সড়কের পাশে প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে কাঁঠাল গাছ রয়েছে। গাংনী উপজেলার কাজিপুর, তেঁতুলবাড়িয়া, কাথুলী ও রায়পুর ইউনিয়নে কাঁঠাল গাছের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

স্থানীয় কাঁঠাল চাষিরা জানান, মেহেরপুর জেলার নির্ধারিত বাগান ছাড়াও সড়ক-মহাসড়ক, গ্রামীণ জনপদ, হাট-বাজার এবং বাড়ির আঙ্গিণায়ও কাঁঠালগাছ বেড়ে ওঠে, ফল দেয়। ব্যক্তি মালিকানায় কাঁঠালগাছ রোপণ করা হয়। রাস্তার পাশ দিয়ে ব্যক্তি উদ্যোগে অনেকেই কাঁঠাল গাছ রোপন করে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রেই সার, কীটনাশক এমনকি বিশেষ পরিচর্যা ছাড়াই এ গাছ আপনগতিতে বেড়ে ওঠে। উৎপাদিত কাঁঠাল জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে।

স্থানীয় কাঁঠাল চাষিরা জানান, নির্ধারিত বাগান ছাড়াও সড়ক-মহাসড়ক, হাট-বাজার, গ্রামীণ জনপদ এবং বাড়ির আঙিনায় ব্যাপক হারে কাঁঠাল গাছ রোপণ করা হয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রেই সার, কীটনাশক এমনকি বিশেষ পরিচর্যা ছাড়াই গাছগুলো ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং ফল দেয়। উৎপাদিত কাঁঠাল জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

কৃষিবিদরা জানান, কাঁঠালের কোনো অংশই ফেলে দিতে হয় না। ফলের রসে থাকে প্রচুর ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম। কাঁঠালের বিচি ও কাঁচা কাঁঠাল দিয়ে রান্না করা যায়, খোলস ও পাতা গবাদিপশুর খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কাঠ দিয়ে আসবাবপত্র তৈরি হয়। এসব কারণেই মানুষ বাণিজ্যিকভাবে কাঁঠাল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামসুল আলম জানান, এ বছর কাঁঠালের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সরকারি উদ্যোগে সড়কের পাশে কাঁঠাল গাছ লাগানো হচ্ছে। প্রতি বছর ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মাধ্যমে রাস্তার দুই পাশে গাছ রোপণের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *