শিম ও বরবটি চাষে স্বাবলম্বী সিরাজুল

যশোরের কেশবপুরের এই এলাকার মাটি শিম ও বরবটি চাষের জন্য অত্যন্ত উর্বর। সিরাজুল ইসলাম শিম ও বরবটি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন।  তাই ফলনও বেশি হয়। বাম্পার ফলন ও বাজারে শিম, বরবটির ভালো দাম পাওয়ায় খুশি সিরাজুল ইসলাম।

তিনি ২০১৮ সাল থেকেই এই শিম ও বরবরটির চাষ করে আসছেন। প্রতি বছর ফলন বাড়ার সাথে সাথে তিনি চাষের জমির পরিমানও বাড়াচ্ছেন। শিম ও বরবরটির বাজারে ভালো চাহিদা থাকায় ভালো দামে বিক্রি করে তিনি ম্বাবলম্বী হয়েছেন। তার সাফল্য দেখে বাড়ছে সবজি চাষির সংখ্যা।

চাষি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে ৩৭ শতক জমিতে শিম ও বরবটির চাষ শুরু করি। প্রতি বছরই ফলন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে যশোরের কেশবপুরে গৌরীঘোনা চরের মাঠে বর্তমানে প্রায় শতাধিক কৃষক শিম ও বরবটি চাষ করছেন।

গ্রীষ্মকালীন শিম-বরবটি আবাদ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। গৌরীঘোনার চরে ১০০ বিঘা জমির মধ্যে প্রায় ৩০ বিঘা জমিতেই গ্রীষ্মকালীন শিম ও বরবটির চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হলে বিঘা প্রতি প্রায় ২-৩ লাখ টাকার শিম ও বরবটি বিক্রি করা যায়। খরচ বাদে মৌসুম শেষে এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ থাকে।

গৌরীঘোনা ইউনিয়নের কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা আবুল কাশেম বলেন, এই জেলায় গ্রীষ্মকালীন অনেক সবজির চাষ হয়। তবে বর্তমানে ইউনিয়নে প্রায় আবাদি জমি ও মৎস্য ঘেরের ভেড়িসহ প্রায় ৩০ হেক্টর জমিতে এই শিম ও বরবটি চাষ হয়েছে।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...