১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,গ্রীষ্মকাল

প্রচ্ছদ > কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পেলেন অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ড

কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পেলেন অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ড

কৃষিক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও চ্যানেল-আই অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ড-২০২০। ষষ্ঠবারের মতো দেওয়া হলো এই কৃষি পুরস্কার। এ বছর দুটি নতুন ক্যাটাগরিসহ মোট নয়টি ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের এজাজ বিজয়, চ্যানেল-আইয়ের পরিচালক শাইখ সিরাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এবার আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হন পথিকৃৎ কৃষিবিজ্ঞানী ‘কাজি পেয়ারার’ জনক ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা। এছাড়া পুরস্কার পেয়েছেন বছরের সেরা পুরুষ কৃষক মাল্টা চাষি সাখাওয়াৎ হোসেন, বছরের সেরা নারী কৃষক ফরিদপুরের পেঁয়াজবীজ চাষি শাহিদা বেগম, পরিবর্তনের নায়ক ক্যাটাগরিতে এরশাদ মাহমুদ, জুরি স্পেশাল ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফুল হাসান ও চট্টগ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা কোহিনুর কামাল, সেরা কৃষি প্রতিষ্ঠান (গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি) হিসেবে জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং, সেরা কৃষি প্রতিষ্ঠান (সহযোগিতা ও বাস্তবায়ন) হিসেবে আরবান, সেরা কৃষি সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম হিরু ও দুর্যোগ প্রতিরোধে সেরা কমিউনিটি হয়েছে ‘লিডার্স’।

Agri Award 2020
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও চ্যানেল-আই অ্যাগ্রো অ্যাওয়ার্ড-২০২০

আয়োজকরা জানান, শতাধিক আবেদনের ভেতর থেকে বাছাই শেষে জুরি বোর্ড উল্লিখিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করেছে। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার ও সম্মাননা হিসেবে মোট ২৪ লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।

দেশের কৃষিখাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কৃষি পুরস্কার প্রদান করে আসছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশ। এর সঙ্গে দুই বছর ধরে যুক্ত হয়েছে চ্যানেল আই।

অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাংলাদেশে কৃষিতে যে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে, তাতে সবচেয়ে বেশি অবদান কৃষকদের। তারা হচ্ছেন সামনের সারির যোদ্ধা। এই কৃষিকাজে শিক্ষিত মেধাবীরা সম্পৃক্ত হলে কৃষিতে বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন বাড়বে। তাদের মাধ্যমেই কৃষির উন্নয়ন ও উৎপাদন আরও বাড়বে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার খাতের কেন্দ্রে রয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির উন্নয়ন। ফলে কৃষিবান্ধব বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপ, বিজ্ঞানী ও কৃষকদের অবদানে কৃষিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। কৃষিতে যে সম্ভাবনা রয়েছে, তার পুরোপুরি ব্যবহার ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণে সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *