পেঁয়াজের দাম আমদানির প্রভাবে কমেছে, হতাশ চাষিরা

গতকাল দেশের বিভিন্ন স্থল বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের ট্রাক ঢুকেছে। গত তিন মাস থেকে সরকারি নিষেধাজ্ঞায় ভারতীয় পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয়েছে পেঁয়াজ আমদানি। এদিকে পেঁয়াজ আমদানির খবরেই দেশের পাইকারী ও খুচরা বাজারে কেজিতে ১০ টাকা কমে গেছে পেঁয়াজের দাম। এমতাবস্থায় হতাশ হয়ে পড়েছেন দেশের  চাষিরা।

গতবারের এই সময়ে পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ২০০ টাকার উপরে ছিল। তাই এই মৌসুমে একটু বেশি লাভের আশায় পেঁয়াজ চাষ করেছিল চাষিরা। কিন্তু যে মুহুর্তে ফসল ঘুরে তোলার সময় ঠিক সেসময় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কা করছেন চাষিরা। চাষিরা বলছেন, ধার দেনা করে পেঁয়াজ লাগানোর পর এভাবে বাহিরের দেশের পেঁয়াজ আমদানিতে ন্যায্যমূল্য পাওয়া যাবেনা।

এদিকে ঢাকায় চার দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। চলতি সপ্তাহে দেশের বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ঢুকতে পারে, এমন সম্ভাবনা থেকে দামের পতন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আড়তে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ আছে, কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে না। কয়েক দিন থেকেই পেঁয়াজের দাম কমছে। গতকাল তিনি দেশি পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩২ টাকা কেজিতে এবং চীন থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ২০-২৪ টাকা কেজিতে বিক্রি (পাইকারি) করছেন।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন বলেন, উৎপাদন সঙ্কট ও দাম বৃদ্ধির অজুহাতে গেলো বছর সেপ্টেম্বর মাসে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবার পর হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানির জন্য এলসি করে। সেই পেঁয়াজগুলো আজ বিকেল থেকে বন্দরে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। আশা করছি দুই একদিনের মধ্যে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করবে

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...