কম খরচে দ্বিগুণ লাভে ওলকচু চাষে ঝুঁকছেন ঠাকুরগাঁওয়ের চাষিরা

ওলকচু বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় ভর্তা এমনকি সবজি হিসেবে খাওয়া যায় বলে বাজারে এর ভালো চাহিদা রয়েছে। ওল চাষে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকেরা এবার বেশি ঝুঁকেছেন ।  অল্প খরচে বেশি লাভ হলেও এ ফসল চাষে মাঝেমধ্যে কিছু কম ফলন কম পাওয়া যায়।

ওলকচু চাষি উপজেলার লেহেম্বা ইউনিয়নের গোগর গ্রামের মোঃ নবাব বলেন, ওলকচু চাষে কোনো ঝামেলা নেই। কারণ কৃষি অফিসের যথাযথ পরামর্শে এখান থাকা ভাল লাভবান হওয়া যায়। এ ফসলের বীজ লাগানোর ২৬০-৭০ দিনের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়।

জেলার রাণীশংকৈলে এ বছর ৫ হেক্টর জমিতে ওলকচুর চাষ হয়েছে বলে জানান কৃষি অধিদপ্তর। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দুইগুণ। শুধু আবাদি এবং ফসলি জমিতে নয় বাড়ির আঙিনা ও পরিত্যক্ত জমিতে বিছিন্নভাবে চাষ হচ্ছে ওলকচুর।

একেকটি ওল গাছ থেকে ৪-৫ কেজি ওলকচু পাওয়া যায়। যার প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকা দরে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এটি বর্ষজীবী ফসল হলেও সেই জমিতে অন্য ফসল থেকে এ ফসলে যথেষ্ট লাভ থাকে বলে জানান কৃষকরা।

হরিপুর উপজেলার এক যুবক মুসা জানান, ওলকচু আগে আমাদের এলাকায় বাড়ির আশেপাশে পতিত জমিতে চাষ হত।কিন্তু এখন কৃষি অফিসের সহায়তায় আবাদি জমিতে চাষ হচ্ছে।

গত বছর এর আবাদ কম হলেও এ বছর আবাদ অনেকাংশে বেড়েছে বলে জানান কৃষি দপ্তর।রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবীদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, ওল কচু চাষে খরচ কম লাভ বেশি। এ চাষাবাদে বাড়তি কোনো সার কীটনাশকের প্রয়োজন পড়ে না। এই ফসল রান্না করে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে দূর হয়। ওল কচুর বাণিজ্যিক চাষাবাদে কৃষি বিভাগ সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...