আগাম জাতের আলু চাষে অপার সম্ভাবনা বিদেশ রপ্তানিতে : কৃষিমন্ত্রী

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিদেশে রপ্তানিতে আগাম জাতের আলুর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশে উৎপাদিত আলুতে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় বিদেশে চাহিদা কম। সেজন্য বিদেশে চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বুধবার নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় অবস্থিত এ খামার পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমানে বছরে ১ কোটি টনের বেশি উন্নত জাতের আলু উৎপাদন হয়। দেশে চাহিদা রয়েছে ৬০-৭০ ল টনের মতো। দেশে উৎপাদিত আলুতে পানির পরিমাণ বেশি হওয়ায় বিদেশে চাহিদা কম। সেজন্য বিদেশে চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য আলুর আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বিদেশ থেকে উচ্চফলনশীল, শুষ্কপদার্থের উপস্থিত কমসম্পন্ন রপ্তানি ও শিল্পে ব্যবহারযোগ্য এসব আলুর জাত চাষের ফলে আলু রপ্তানির অপার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। আলুর বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি একই পরিমাণ জমি থেকে দ্বিগুণেরও বেশি পরিমাণ আলু উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

এ সময় কৃষিসচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, বিএডিসির চেয়ারম্যান মো: সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, ব্রির মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বিএডিসির ‘মান সম্পন্ন বীজআলু উৎপাদন ও সংরণ এবং কৃষক পর্যায়ে বিতরণ জোরদারকরণ’ প্রকল্পের আওতায় ডোমার খামারে ভিত্তি বীজআলু উৎপাদন করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন জাতের উপযোগিতা যাচাইয়ের জন্য ট্রায়াল প্লট স্থাপন ও পর্যবেণ করা হচ্ছে। এছাড়াও প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে ২৮টি জোনে চুক্তিবদ্ধ চাষি’র মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ব্যবহৃত বীজআলু উৎপাদন করা হচ্ছে।

আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...