নবীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী বাসিন্দা কৃষক চাঁন মিয়া এ বছর মিষ্টি কুমড়ার চাষ করে ভাগ্যোন্নয়নের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। ২ একর ধানী মিষ্টি কুমড়া চাষ করে এপর্যন্ত ৪৫ হাজার টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। চাঁন মিয়ার ফলানো মিষ্টি কুমড়া প্রতিটির ওজন ১৫/১৬ কেজি হবে। দেশীয় প্রজাতির গোলাকার মিষ্টি কুমড়া যে কারো নজর কারবে। কৃষক চাঁন মিয়ার ধানী মিষ্টি কুমড়া চাষ করে অনেকের মনে আশা জাগিয়েছেন। তার ফলানো মিষ্টি কুমড়া দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসছে। অনেককেই মিষ্টি কুমড়া কিনে নিতেও দেখা গেছে। নবীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা চাঁন মিয়া বিগত কয়েক বছর ধরে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আসছেন। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে আশানুরূপ ফলন না হলেও আশা ছাড়েননি কৃষক চাঁন মিয়া। এ বছর ২ একর ধানী দেশীয় প্রজাতির মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুরে মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করতে বাজারে যাওয়ার পথে কৃষক চাঁন মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশীয় প্রজাতির মিষ্টি লাউ বিগত কয়েক বছর ধরে চাষ করলেও কোন লাভ হয়নি। কিন্তু এবছর মিষ্টি কুমড়া চাষ করে এ পর্যন্ত ৪৫ হাজার টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করেছেন। কৃষক চাঁন মিয়ার এবছর দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন। তিনি আরো জানান, কোন প্রকার কীটনাশক ছাড়া তার ফলানো মিষ্টি কুমড়া খুবই সুস্বাধু। প্রতিটি মিষ্টি কুমড়া খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১শ থেকে ১শ ২০ টাকায়। |