২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭


হোম   »   কৃষি তথ্য   »   কৃষি সংবাদ  
গ্রীষ্মকালীন তুলার নতুন জাত উদ্ভাবন

দেশে চাহিদার তুলনায় উত্পাদন কম হওয়ায় তুলা আমদানি প্রতিবছর বাড়ছে। এমতাবস্থায় কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড সারা বছর তুলা উত্পাদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ কর্মসূচির অংশ হলো গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষ। বোর্ড যশোর জেলার জগদীশপুর গবেষণা কেন্দ্রে উদ্ভাবন করেছে গ্রীষ্মকালীন জাত। উফসী এ জাতের নাম সিবি-১২। নিজস্ব ফার্মে পরীক্ষামূলক আবাদে সফলতা আসায় বোর্ড চাষী পর্যায়ে গ্রীষ্মকালীন তুলা নিয়ে গেছে। এজাতের তুলার উত্পাদন ক্ষমতা চীন থেকে আমদানি করা হাইব্রিড তুলার কাছাকাছি। বিঘা ১০/১২ মণ।

বোর্ড সুলভ মূল্যে কৃষক পর্যায়ে বীজ সরবরাহ করছে। প্রতি কেজি হাইব্রিড বীজের দাম যেখানে দুই হাজার টাকা সেখানে সিবি-১২ জাতের দাম মাত্র ২২ টাকা। গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষকে জনপ্রিয় করার জন্য বোর্ড ‘গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ প্রকল্প’ নামে একটি কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এর আওতায় দেশের ১৮টি জোনের প্রতিটিতে ৫টি করে অংশীদারিত্ব গবেষণা প্লট স্থাপন করা হয়েছে। ময়মনসিংহ জোনের মধুপুর ইউনিট ধরাটি গ্রামের আবুল হোসেনের জমিতে তুলার গ্রীষ্মকালীন প্লট স্থাপন করেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে চারা রোপণ হয়েছে।

মে মাসে জমি থেকে পাকা তুলা সংগ্রহের আশা করছেন বোর্ড। কটন ডেভেলপমেন্ট বোর্ড ঢাকা রিজিয়নের উপ-পরিচালক ফখরে আলম ইবণে তাবিব জানান, গ্রীষ্মকালীন তুলা চাষে সেচের প্রয়োজন থাকায় যান্ত্রিক সেচের সুবিধা সম্বলিত এলাকায় এ ধরনের তুলা চাষ সমপ্রসারণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন চাষের মাধ্যমে বাড়তি তুলা উত্পাদন এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোই বোর্ডের মূল লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
পাতাটি ২৮৩৩ প্রদর্শিত হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ

»  আগামী বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়ছে

»  পেঁপের নতুন জাত উদ্ভাবন

»  কৃষিতে ৫৫ দফা সুপারিশ

»  ফরিদপুরের কালো সোনা

»  গ্রীষ্মকালীন তুলার নতুন জাত উদ্ভাবন